জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের হার্টে একাধিক ব্লক ধরা পড়েছে। জরুরি ভিত্তিতে তার বাইপাস সার্জারির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চিকিৎসকরা। বুধবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জামায়াত আমিরের পিএস মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দলের জাতীয় সমাবেশে বক্তৃতাকালে আচমকা মঞ্চে পড়ে যাওয়ার পর থেকে তার নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়েছে।
এর ধারাবাহিকতায় বুধবার এনজিওগ্রাম হয়। কার্ডিওলজিস্ট ডা. মমিনুজ্জামানের অধীনে সম্পন্ন হওয়া এনজিওগ্রামে তার হার্টে ৩টি মেজর ব্লক ধরা পড়ে। চিকিৎসকরা এনজিওপ্লাস্টি না করে বাইপাস সার্জারির পরামর্শ দিয়েছেন।’
তিনি জানান, দলীয়ভাবে জামায়াত আমিরকে দেশের বাইরে পাঠানোর চিন্তা করা হচ্ছিল।
কিন্তু তিনি এটি নাকচ করেছেন। জানিয়েছেন দেশের চিকিৎসার প্রতি তার পূর্ণ আস্থা আছে। তাই দেশেই জরুরি ভিত্তিতে এখন তার বাইপাস করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
তিনি আরো জানান, দলীয়ভাবে আলাপ-আলোচনা শুরু হয়েছে।
সেখানে দেখা হয় এএসপি আফজাল হোসেনের সঙ্গে। পরে বিভিন্ন সময় কনস্টেবলের স্ত্রীকে হোয়াটসঅ্যাপে কথাবার্তা ও মেসেজ দিয়ে বিরক্ত করেন এএসপি আফজাল। এ ছাড়া অনৈতিক প্রস্তাবসহ অভিযোগকারীর স্বামী থাকা সত্ত্বেও অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে বিয়ের প্রস্তাব দেন।
এতে আরো বলা হয়, এএসপি আফজাল ওই কনস্টেবলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল ও মামলা করার কু-পরামর্শ দেওয়াসহ সংসার ভাঙার চেষ্টা করেন, যা নৈতিক স্খলনজনিত আচরণ ও অকর্মকর্তাসুলভ কর্মকাণ্ড হিসেবে পরিগণিত।
এ ছাড়া কনস্টেবলের তালাকপ্রাপ্ত দ্বিতীয় স্ত্রীকে দিয়েও মামলাসহ বিভিন্ন ঊর্ধ্বতন অফিসে অভিযোগ দাখিলের কু-পরামর্শ দেন এএসপি আফজাল।
সুশৃঙ্খল পুলিশ বাহিনীর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে এএসপি আফজাল হোসেনের এমন অপেশাদার আচরণ জনসম্মুখে পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন করেছে। তার এমন আচরণ ‘অসদাচরণের শামিল ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ’। এ জন্য ২১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরি থেকে এএসপি আফজালকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।